লালমনিরহাট ও রংপুরে র্যাবের পৃথক অভিযানে ১শত বোতল চোকো প্লাস এবং ৯শত ৪০পিস ইয়াবা জব্দসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১২টা ৫৭মিনিটে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-১৩ সিপিএসসি রংপুরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লালমনিরহাট ও রংপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে ফেনসিডিল সমগোত্রীয় ১শতটি বোতল চোকো প্লাস, ৯শত ৪০পিস ইয়াবা ও একটি মোটর সাইকেল জব্দ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৩। এ সময় ২জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৫টার দিকে সিপিএসসি র্যাব-১৩ রংপুরের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার মদনপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় মোঃ মুজিবর রহমানের বাড়ির সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে একটি পালসার মোটর সাইকেলে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় মোটর সাইকেল থেকে ফেনসিডিল সমগোত্রীয় ১শতটি বোতল চোকো প্লাস উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে শরিফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দক্ষিণ জাওরানি ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এদিকে একই দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর কোম্পানি র্যাব-১৩ রংপুরের আরেকটি দল রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় প্রাণ ডিপো সংলগ্ন নির্মাণাধীন টোল প্লাজার সামনে অভিযান চালায়। এ সময় ৯শত ৪০পিস ইয়াবাসহ মোঃ আব্দুল সোবহান (৩৭) নামে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রধানাবাদ শিমুলতলী গ্রামে।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে রংপুর বিভাগসহ সারাদেশে বিক্রি করে আসছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা সম্ভব হয়।
গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করে জব্দকৃত আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে র্যাবের এধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য যে, ‘বাংলাদেশ আমার অহংকার’-এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সর্বগ্রাসী মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। র্যাব-১৩ রংপুর এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকা মাদক মুক্ত করতে র্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।